ঢাকা, লোড হচ্ছে...
সংবাদ শিরোনাম
বিয়ে না দেওয়ায় তীব্র ক্ষোভ ছিল অভিযুক্ত আকাশের শিক্ষার্থীদের টিফিনে কাঁচা কলা, সহকারী শিক্ষক বরখাস্ত ট্রলি-মোটরসাইকেল সংঘর্ষ, প্রাণ গেলো স্বামী-স্ত্রীর বিয়ে না দেওয়ায় তীব্র ক্ষোভ ছিল অভিযুক্ত আকাশের ২১ দিনে মা, গণপিটুনিতে মরল বাবা; ২ বছরের মুসলিমার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নগরকান্দায় বেপরোয়া ট্রাকচালকের তাণ্ডব, গণপিটুনিতে চালকের মৃত্যু মধুখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নবদম্পতির মৃত্যু, তিন মাসের শিশুসন্তান এতিম বোয়ালমারীতে মে দিবসে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত ফরিদপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা মাওলানা দেলোয়ার হোসেনের দাফন সম্পন্ন

মালির প্রধান শহরগুলো দখলের পথে জেএনআইএম ক্ষমতা গ্রহণের আশঙ্কা, বাড়ছে অস্থিতিশীলতা

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২৬ এপ্রিল, ২০২৬,  6:21 PM

news image

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালি-তে সরকারবিরোধী সশস্ত্র গোষ্ঠী JNIM একাধিক গুরুত্বপূর্ণ শহরে সমন্বিত হামলা চালিয়ে দেশের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণের পথে এগোচ্ছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকরা। সাম্প্রতিক এই হামলাগুলো দেশটির দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা সংকটকে নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাজধানী বামাকোসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় একযোগে হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা সামরিক ঘাঁটি, বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকা এবং গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলি ও বিস্ফোরণে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
উত্তরাঞ্চলের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ শহর কিদাল ও গাও-এর বিভিন্ন এলাকায় সশস্ত্র গোষ্ঠীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। এসব এলাকায় আংশিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার দাবি করেছে গোষ্ঠীটি, যদিও স্বাধীনভাবে এ তথ্য যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই হামলার পেছনে একাধিক বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সমন্বয় থাকতে পারে। বিশেষ করে উত্তর মালিতে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় তুয়ারেগ বিদ্রোহীদের সঙ্গে সম্ভাব্য সমন্বয় পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এতে করে দেশটির আঞ্চলিক বিভাজন আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এদিকে মালির সামরিক সরকার দাবি করেছে, তারা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ করছে এবং হামলাকারীদের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সরকারি বাহিনী কিছু এলাকায় নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারের কথাও জানিয়েছে। তবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এখনো অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, যদি এই সশস্ত্র জোট গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারে, তাহলে তা শুধু মালির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেই নয়, বরং পুরো সাহেল অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। এতে আঞ্চলিক সন্ত্রাসবাদ, শরণার্থী সংকট এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মালিতে গত এক দশকের বেশি সময় ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতা, সামরিক অভ্যুত্থান এবং সশস্ত্র সংঘাত চলমান রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে সাম্প্রতিক হামলাগুলো দেশটির স্থিতিশীলতার জন্য নতুন করে বড় হুমকি হিসেবে দেখা দিচ্ছে।

logo সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ রিজাউল হক